মঙ্গল করিবার শক্তিই ধন , বিলাস ধন নহে - ভাবসম্প্রসারণ বাংলা ২য় পত্র ভাবসম্প্রসারণ| কৌণিক বার্তা

মঙ্গল করিবার শক্তিই ধন , বিলাস ধন নহে এ ভাবসম্প্রসারণটি সহজ ভাষা লেখা হয়েছে এই পোস্ট। আপনি এই মঙ্গল করিবার শক্তিই ধন , বিলাস ধন নহে ভাবসম্প্রসারণের ইংরেজি ভাষাও নিচে দেখতে পাবে। আপনি চাই দুইটি কপি করতে পারবেন। 

ভাবসম্প্রসারণ কি? ভাবসম্প্রসারণ কাকে বলে?

মঙ্গল করিবার শক্তিই ধন , বিলাস ধন নহে ভাবসম্প্রসারণ মানুষ কখনো কখনো অল্প কথায় মনের ভাব প্রকাশ করে । এই ভাবকে ঠিক রেখেই এর সম্প্রসারণ করতে হয় । ভাবসম্প্রসারণ অনেকটা ভাবার্থের বিপরীত । কোনো পদ্যাংশ বা গদ্যাংশের ভেতর একটি গূঢ় তাৎপর্য অত্যন্ত স্বপ্নায়তনে থাকে । তাকে বিস্তৃতভাবে প্রকাশ করার নামই ভাবসম্প্রসারণ। ইংরেজিতে এটিকে Amplification বা Explanation of idea বলে । অসির চেয়ে মসি বড় ভাবসম্প্রসারণ নিচে দেওয়া হয়েছে বিস্তিরিত।

মঙ্গল করিবার শক্তিই ধন , বিলাস ধন নহে - ভাবসম্প্রসারণ

সুতরাং যে ভাব বা Idea সংক্ষেপে বা ইঙ্গিতে করা হয়েছে , তাকেই বিস্তৃত করে প্রকাশ করাকে ভাবসম্প্রসারণ বলা হয় ।

৬ষ্ঠ,৭ম, ৮ম, ৯ম,১০ম, এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার জন্য অসির চেয়ে মসি বড় ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড।


মূলভাব : ধনের উদ্দেশ্য মানবকল্যাণ । ধন - সম্পদ যারা বিলাসিতায় উড়িয়ে দেয় তারা আত্মকেন্দ্রিক ও স্বার্থপর ।

সম্প্রসারিত ভাব : অর্থ ছাড়া এই পৃথিবীতে কোনো কাজ সম্পন্ন করা যায় না । তাই বলে উপার্জিত অর্থকে বিলাসের বন্যায় ভাসিয়ে দিলে তার দ্বারা যেমন সমাজ বা জাতির কোনো কল্যাণ সাধিত হয় না , তেমনি বিপুল অর্থের পাহাড় রচনা করে শুধু কোষাগারে জমা রাখলেও সে অর্থ মূল্যহীন হয়ে পড়ে । কাজেই বিবেচনার সাথেই উপার্জিত অর্থকে ব্যয় করতে হয় । তবে পৃথিবীতে অনেকেই প্রচুর অর্থ উপার্জন করলেও খুব কম সংখ্যক লোকই অর্থের যথার্থ ব্যবহার করতে জানে । অথচ অর্থের সদ্ব্যবহারের ওপরই এর সার্থকতা নির্ভর করে । অধিকাংশ মানুষ ধনের অধিকারী হয়েই বিলাস - ব্যসন ও অপব্যয়ের স্রোতে গা ভাসিয়ে দেয় । কিন্তু এ বিলাসিতা ও অপব্যয় প্রকৃতপক্ষে তাদের কোনো মঙ্গলসাধন করে না , বরং এটা তাদেরকে অন্যায় ও পাপের পথে নিয়ে যায় । অনর্থক অপব্যয় না করে তারা পরের উপকার ও সমাজের মঙ্গলের জন্য অর্থ ব্যয় করে ধন্য হতে পারে এবং অপার আনন্দ লাভ করতে পারে । বিলাসিতার মাঝে গর্ব , অহমিকা ও দাম্ভিকতা ছাড়া আর কিছুই নেই । এগুলো মানুষের মনুষ্যত্ব নষ্ট করে তাকে পশুতে পরিণত করে । তাই বৃথা বিলাসিতা ও অপব্যয়ে মগ্ন না হয়ে প্রত্যেক ধনবান ব্যক্তির উচিত পরের উপকার ও সমাজের কল্যাণে অর্থ ব্যয় করা । তাতে ধনের উপযুক্ত ব্যবহার যেমন সুনিশ্চিত হয় তেমনি ধন উপার্জনও সার্থক হয় । 


মন্তব্য : যে ধন পরের উপকার ও সমাজের কল্যাণসাধনে ব্যয়িত হয় সেটাই প্রকৃত ধন , বিলাসিতায় ব্যয়িত ধন প্রকৃত ধন নয় । সুসিং অর্থ - সম্পদের সুষম ও কল্যাণকর ব্যবহারে আমাদেরকে সচেতন হতে হবে ।


Next Post Previous Post
মন্তব্যগুলো দেখান
মন্তব্যগুলো যোগ করুণ

আপনার মূল মান মতামতটি আমাদের জানান। আমি শালীন ভাষা ব্যাবহার করবো এবং অশ্লীল ভাষা ব্যাবহার থেকে বিরত থাকবো। কৌণিক বার্তা.কম আপনার আইপি অ্যাড্রেস ব্লকের ক্ষমতা রাখে।

comment url