বাংলাদেশে বন্ধ সিম কার্ডের মালিকানা কত দিনে হারাবে ?


সিম কার্ড বাংলাদেশ সিম কার্ড

বিশ্বে বর্তমানে মোবাইল ফোন ব্যবহার যে হারে বেড়েছে তাতে আমরা বলতে পারি যে এই যুগ হচ্ছে মোবাইলের ফোন ব্যবহারের যুগ। আর মোবাইলে ব্যবহার সাথে যেটি জড়িত আছে তাই আমরা সবাই সিম কার্ড নামে জানি। বর্তমান যুগে এই সিম কার্ড ছাড়া মোবাইল ফোন ব্যবহার করা অসম্ভব। কিন্ত আপনি কি জানে আপনার প্রয়োজনীয় সিম কার্ড একটি ভুলের কারনে বন্ধ বা মালিকানা পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। বাংলাদেশের একটি আইনে বলা হয়েছে তা বিস্তারিত আলোচনা করবো।

সিম কার্ড কে আবিস্কার করে?

আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরের স্বনামধন্য ইঞ্জিনিয়ার মার্টিন কুপারকে মোবাইল ফোনের জনক বলা হয়। তার এই আবিষ্কৃত বিস্ময়কর বস্তু বেতার তরঙ্গ বা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ওয়েভের  মাধ্যমে কাজ করে। আর এই নেটওয়ার্কটি তৈরি করে দেয় বিভিন্ন কোম্পানি। বাংলাদেশে এই নেটওয়ার্ক কোম্পানিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু ব্র্যান্ড হলো গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি, টেলিটক ইত্যাদি। এসব বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিম কেনার পর তা মোবাইলের নির্দিষ্ট স্লটে সেট করার পর আপনার মোবাইল অন্যপ্রান্তের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য উপযুক্ত হয়।

বাংলাদেশের সিম কার্ডের নম্বর তৈরি করার পদ্ধতি?

জাতীয় নম্বর পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশে মুঠোফোন নম্বর শুরু হয় ০১ দিয়ে। এর সঙ্গে আরও ৯টি অঙ্ক যোগ করে ১১ অঙ্কবিশিষ্ট একটি মুঠোফোন নম্বর তৈরি হয়। প্রতি অপারেটর তাদের জন্য বরাদ্দ নম্বর কোড দিয়ে ১১ অঙ্কের ১০ কোটি নম্বর তৈরি করতে পারে। এর মধ্যে টেলিটক ০১৫, গ্রামীণফোন ০১৭, রবি ০১৮ ও ০১৬ এবং বাংলালিংক ০১৯ নম্বর সিরিজ ব্যবহার করে।


সচল সিম কার্ড কী ও বন্ধ সিম কার্ড কী?

এই সংখ্যাবিশিষ্ট সিমকার্ড কেনার পর মোবাইলে ব্যবহার করা হলে তাকে একটি সচল সিমকার্ড হিসেবে ধরা হয়। আর এটি কেনার পর যদি তা মোবাইলের নির্দিষ্ট স্লটে না লাগানো হয় বা কিছুদিন ব্যবহার করার পর তা খুলে অন্যত্র রেখে দেওয়া হয় তবে সেই সিমটিকে বন্ধ সিম হিসেবে ধরা হয়।


যে কারণ সিম কার্ডের মালিকানা হারাতে পারেন?

আপনার ব্যবহৃত বা অব্যবহৃত সিম যদি টানা ১৫ মাস বন্ধ থাকে তবে সেই সিমটিকে একটি পরিত্যক্ত সিম হিসেবে ধরা হবে। এই অবস্থায় আপনি আপনার সিম কার্ডের মালিকানা হারাতে পারেন।

বিটিআরসি বলছে নতুন নিয়ম অনুযায়ী টানা ১৫ মাস বা ৪৫০ দিন একটি সিম ব্যবহার না করা হলে সিম কার্ডের মালিককে মালিকানা ধরে রাখতে বাড়তি ৩০ দিন সময় দেওয়া হবে। এই হিসেব অনুযায়ী ৪৮০ দিনের মধ্যে বন্ধ থাকা সিমটি চালু না করা হলে সেটির মালিকানা আর গ্রাহকের থাকবে না। এ সময়ের মধ্যে সিম সচল না করা হলে সংশ্লিষ্ট সিম কর্তৃপক্ষ বা মুঠোফোন অপারেটর সেটি নতুন করে আবার বিক্রি করতে পারবে

Next Post Previous Post
মন্তব্যগুলো দেখান
মন্তব্যগুলো যোগ করুণ

আপনার মূল মান মতামতটি আমাদের জানান। আমি শালীন ভাষা ব্যাবহার করবো এবং অশ্লীল ভাষা ব্যাবহার থেকে বিরত থাকবো। কৌণিক বার্তা.কম আপনার আইপি অ্যাড্রেস ব্লকের ক্ষমতা রাখে।

comment url