সর্বশেষ

অর্থ-সম্পদের বিনাশ আছে ,কিন্তু জ্ঞান -সম্পদ কখনো বিনষ্ট হয় না ভাবসম্প্রসারণ। কৌণিক বার্তা

অর্থ-সম্পদের বিনাশ আছে ,কিন্তু জ্ঞান -সম্পদ কখনো বিনষ্ট হয় না ভাবসম্প্রসারণ। কৌণিক বার্তা


 অর্থই অনর্থের মূল ভাবসম্প্রসারণ

সুতরাং যে ভাব বা Idea সংক্ষেপে বা ইঙ্গিতে করা হয়েছে , তাকেই বিস্তৃত করে প্রকাশ করাকে ভাবসম্প্রসারণ বলা হয় ।

ভাব - সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত নিয়মাবলি অনুসরণযোগ্য :

১ . প্রদত্ত চরণ বা গদ্যাংশটি একাধিকবার মনোযোগসহকারে পড়তে হবে । লক্ষ্য থাকবে প্রচ্ছন্ন বা অন্তর্নিহিত ভাবটি কী , তা সহজে অনুধাবন করা । 

২ . অন্তর্নিহিত মূলভাবটি কোনো উপমা , রূপক - প্রতীকের আড়ালে আছে কিনা তা বিশেষভাবে লক্ষ করতে হবে । মূলভাবটি যদি রূপক প্রতীকের আড়ালে প্রচ্ছন্ন থাকে , তবে ভাব - সম্প্রসারণের সময় প্রয়োজনে অতিরিক্ত অনুচ্ছেদ - যোগে ব্যাখ্যা করলে ভালো হয় । 

৩ . মূলভাবকে বিশদ করার সময় সহায়ক দৃষ্টান্ত , প্রাসঙ্গিক তথ্য বা উদ্ধৃতি ব্যবহার করা সংগত । এমনকি প্রয়োজনে ঐতিহাসিক , পৌরাণিক বা বৈজ্ঞানিক তথ্যও উল্লেখ করা যায় । তবে ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক তথ্য , উদ্ধৃতি দেওয়ার চেয়ে না দেওয়াই ভালো । 

৪. সহজ - সরল ভাষায় , সংক্ষেপে ভাবটি উপস্থাপন করা উচিত । প্রয়োজনে যুক্তির দ্বারা তাৎপর্যটি উদ্ধার করতে হবে ।

৫. ভাব - সম্প্রসারণ করার সময় মনে রাখতে হবে , যেন বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি না ঘটে । বারবার একই কথা লেখা ভাব - সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে দোষণীয়




মূলভাব : জ্ঞানের সাথে ধনের কোনো তুলনা নেই । প্রকৃত বিচারে অর্থবিত্তের চেয়ে জ্ঞানের মূল্য অনেক বেশি ।

সম্প্রসারিত ভাব : মানুষের ধন বা সম্পদকে দু'ভাগে ভাগ করা যায় । যেমন— বস্তুগত সম্পদ বা অর্থবিত্ত এবং হূদয়ের ঐশ্বর্য বা জ্ঞানের মহিমা । অনেক সময় আমরা ধন বড় না জ্ঞান বড় এমন বিতর্কেও জড়িয়ে পড়ি এবং স্বাভাবিকভাবে রায় চলে যায় অর্থ - সম্পদের দিকে । তার অবশ্য বাস্তব ভিত্তিও আছে । কেননা মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অর্থের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি । অর্থ দিয়েই সমস্ত বস্তুগত চাহিদা পূরণ করা যায় । অর্থের সামাজিক উপযোগ আছে । আছে নগদ মূল্যও । সেজন্যই অর্থ দিয়ে আমরা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে মানুষের অবস্থানকে নির্ণয় করে থাকি । কিন্তু একথা সত্য , অর্থ - সম্পদ কেবল মানুষের বাইরের দিকটাকেই প্রকাশ করে । তাছাড়া অর্থ অনেক ক্ষেত্রে অনর্থের কারণ হয়ে দাঁড়ায় । পৃথিবীর সকল দ্বন্দ্ব - সংঘাতের পেছনে রয়েছে অর্থের অবদান । অর্থ - সম্পদ যতই শক্তির অধিকারী হোক , জ্ঞান - সম্পদের কাছে তা নিষ্প্রভ । সত্যিকারের জ্ঞানী ব্যক্তি বিত্তশালী লোকের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিমান । অর্থ - সম্পদের কোনো স্থায়িত্ব নেই । সম্পদশালী জমিদারও যেকোনো সময় নিঃস্ব হয়ে যেতে পারেন । কিন্তু একজন জ্ঞানী ব্যক্তির জ্ঞান কোনো কারণেই খোয়া যায় না । জ্ঞানের কোনো অপমৃত্যু ঘটে না ; বরণ প্রতি মুহূর্তে জ্ঞানী ব্যক্তি জ্ঞানের দীপ্তিতে সজীব - সুন্দর হয়ে উঠেন । কালের বিবর্তনে বিত্তবানের ধনভাণ্ডার এক সময়ে নিঃশেষ হয়ে আসে , কিন্তু বিদ্বানের জ্ঞানভাণ্ডার ক্রমাগত সমৃদ্ধ হতে থাকে । তাই অর্থ - সম্পদ নয় , জ্ঞান - সম্পদের মাপকাঠিতে মানুষের মূল্যায়ন হওয়া উচিত । কারণ অর্জিত অর্থ নিঃশেষ হয়ে যায় , কিন্তু অর্জিত জ্ঞান চিরস্থায়ী এর কোনো বিনাশ নেই । মহানবী ( স ) তাই জ্ঞানীর কলমের কালিকে শহীদের রক্তের চেয়েও পবিত্র বলেছেন । তিনি দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত মানুষকে জ্ঞানার্জনের উপদেশ দিয়েছেন । অর্থের প্রয়োজনীয়তাকে মেনে নিয়েও আমাদের উচিত জ্ঞান সাধনায় ব্রতী হওয়া । কেননা , জ্ঞানের কোনো বিনাশ নেই । জ্ঞা অর্থের সমন্বিত প্রাচুর্য একজন মানুষকে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দিতে পারে ।


নিচে গিয়ে ভাবসম্প্রসারণ এর সম্পূর্ণ তালিকা দেখুন।

আপনাদের সুবিধার কথা চিন্তা করে এবং আপনাদের ইংরেজি ভাষা পড়া ও চর্চা করার জন্য আত্মশক্তি 
 অর্থ-সম্পদের বিনাশ আছে ,কিন্তু জ্ঞান -সম্পদ কখনো বিনষ্ট হয় না ভাবসম্প্রসারণ ভাবসম্প্রসারণটি ইংরেজি ভাষাতে লেখা হয়েছে নিচে তা ইংরেজি অনুবাদ দেওয়া আছে। আপনি সেখান থেকে পড়তে এবং কপি করতে পারবেন, ধন্যবাদ। 




ইচ্ছা থাকলে উপায় হয় ভাবসম্প্রসারণ। ইচ্ছা থাকলে উপায় হয় ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড। কৌণিক বার্তা

ইচ্ছা থাকলে উপায় হয় ভাবসম্প্রসারণ। ইচ্ছা থাকলে উপায় হয় ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড। কৌণিক বার্তা

অর্থই অনর্থের মূল ভাবসম্প্রসারণ

সুতরাং যে ভাব বা Idea সংক্ষেপে বা ইঙ্গিতে করা হয়েছে , তাকেই বিস্তৃত করে প্রকাশ করাকে ভাবসম্প্রসারণ বলা হয় ।

ভাব - সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত নিয়মাবলি অনুসরণযোগ্য :

১ . প্রদত্ত চরণ বা গদ্যাংশটি একাধিকবার মনোযোগসহকারে পড়তে হবে । লক্ষ্য থাকবে প্রচ্ছন্ন বা অন্তর্নিহিত ভাবটি কী , তা সহজে অনুধাবন করা । 

২ . অন্তর্নিহিত মূলভাবটি কোনো উপমা , রূপক - প্রতীকের আড়ালে আছে কিনা তা বিশেষভাবে লক্ষ করতে হবে । মূলভাবটি যদি রূপক প্রতীকের আড়ালে প্রচ্ছন্ন থাকে , তবে ভাব - সম্প্রসারণের সময় প্রয়োজনে অতিরিক্ত অনুচ্ছেদ - যোগে ব্যাখ্যা করলে ভালো হয় । 

৩ . মূলভাবকে বিশদ করার সময় সহায়ক দৃষ্টান্ত , প্রাসঙ্গিক তথ্য বা উদ্ধৃতি ব্যবহার করা সংগত । এমনকি প্রয়োজনে ঐতিহাসিক , পৌরাণিক বা বৈজ্ঞানিক তথ্যও উল্লেখ করা যায় । তবে ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক তথ্য , উদ্ধৃতি দেওয়ার চেয়ে না দেওয়াই ভালো । 

৪. সহজ - সরল ভাষায় , সংক্ষেপে ভাবটি উপস্থাপন করা উচিত । প্রয়োজনে যুক্তির দ্বারা তাৎপর্যটি উদ্ধার করতে হবে ।

৫. ভাব - সম্প্রসারণ করার সময় মনে রাখতে হবে , যেন বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি না ঘটে । বারবার একই কথা লেখা ভাব - সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে দোষণীয়




মূলভাব : শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে মানুষের ইচ্ছাশক্তি একটি অসাধারণ গুণ । যার মাধ্যমে মানুষ তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারে ।

সম্প্রসারিত ভাব : পৃথিবীতে বসবাস করতে গিয়ে মানুষ নানা বাধা - বিপত্তির সম্মুখীন হয় । জীবনে বেঁচে থাকার প্রতি পদে পদে মানুষকে বাধা - বিঘ্নের সাথে সংগ্রাম করে চলতে হয় । এজন্য মানুষ নানা ধরনের কাজ করে থাকে । কাজের সাফল্যের জন্য মানুষের ইচ্ছাশক্তির গুরুত্বই বেশি । কারণ মানবজীবন সংগ্রামে পরিপূর্ণ । এই সংগ্রাম করতে গিয়ে নিরাশ হলে চলবে না । নিরাশ হয়ে হাত - প গুটিয়ে বসে থাকলে চলবে না । তাকে অধিক উদ্দীপনা - উৎসাহ নিয়ে কর্মক্ষেত্রে নামতে হবে । সেই কঠিন কাজ করার প্রচণ্ড প্রকাশ ঘটাতে হবে । তাহলে দেখা যাবে সেই কাজের জন্য কোনো না কোনো উপায় পাওয়া যাবেই যাবে । ইচ্ছাশক্তি প্রবল যেকোনো কাজে সফলতা লাভ সুনিশ্চিত । পৃথিবীতে যারা জ্ঞান - বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে সুনাম - সুখ্যাতি অর্জন করেছেন তাদের কাজের ব্যক্তিজীবনে ইচ্ছাশক্তির প্রবল প্রকাশ পাওয়া যায় । দুর্দমনীয় ইচ্ছার কারণে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ইউরোপ জয় করতে স হয়েছিলেন , আব্রাহাম লিংকন প্রেসিডেন্ট হতে পেরেছিলেন এবং কলম্বাস আবিষ্কার করতে পেরেছিলেন আমেরিকা । ইচ্ছাশক্তির মানুষ কর্মজীবনে সাফল্য লাভ করে । শত বাধা - বিপত্তির সাথে সংগ্রাম করেই মানুষ নতুন নতুন রহস্যের দ্বার উদ্ঘাটনে সক্ষম হয় ।

মন্তব্য : ইচ্ছাশক্তির দ্বারা বিত্তের একাগ্রতা , ধৈর্য , সহনশীলতা ও অধ্যবসায়ের সৃষ্টি হয় । এতে সফলতা সহজ হয় । 

নিচে গিয়ে ভাবসম্প্রসারণ এর সম্পূর্ণ তালিকা দেখুন।

আপনাদের সুবিধার কথা চিন্তা করে এবং আপনাদের ইংরেজি ভাষা পড়া ও চর্চা করার জন্য আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য ভাবসম্প্রসারণটি ইংরেজি ভাষাতে লেখা হয়েছে নিচে তা ইংরেজি অনুবাদ দেওয়া আছে। আপনি সেখান থেকে পড়তে এবং কপি করতে পারবেন, ধন্যবাদ। 




অর্থই অনর্থের মূল ভাবসম্প্রসারণ | বাংলা ২য় পত্রের অর্থই অনর্থের মূল ভাবসম্প্রসারণ | কৌণিক বার্তা

অর্থই অনর্থের মূল ভাবসম্প্রসারণ | বাংলা ২য় পত্রের অর্থই অনর্থের মূল ভাবসম্প্রসারণ | কৌণিক বার্তা

অর্থই অনর্থের মূল ভাবসম্প্রসারণ মানুষ কখনো কখনো অল্প কথায় মনের ভাব প্রকাশ করে । এই ভাবকে ঠিক রেখেই এর সম্প্রসারণ করতে হয় । ভাবসম্প্রসারণ অনেকটা ভাবার্থের বিপরীত । কোনো পদ্যাংশ বা গদ্যাংশের ভেতর একটি গূঢ় তাৎপর্য অত্যন্ত স্বপ্নায়তনে থাকে । তাকে বিস্তৃতভাবে প্রকাশ করার নামই ভাবসম্প্রসারণ। ইংরেজিতে এটিকে Amplification বা Explanation of idea বলে । অর্থই অনর্থের মূল ।

অর্থই অনর্থের মূল ভাবসম্প্রসারণ

সুতরাং যে ভাব বা Idea সংক্ষেপে বা ইঙ্গিতে করা হয়েছে , তাকেই বিস্তৃত করে প্রকাশ করাকে ভাবসম্প্রসারণ বলা হয় ।

ভাব - সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত নিয়মাবলি অনুসরণযোগ্য :

১ . প্রদত্ত চরণ বা গদ্যাংশটি একাধিকবার মনোযোগসহকারে পড়তে হবে । লক্ষ্য থাকবে প্রচ্ছন্ন বা অন্তর্নিহিত ভাবটি কী , তা সহজে অনুধাবন করা । 

২ . অন্তর্নিহিত মূলভাবটি কোনো উপমা , রূপক - প্রতীকের আড়ালে আছে কিনা তা বিশেষভাবে লক্ষ করতে হবে । মূলভাবটি যদি রূপক প্রতীকের আড়ালে প্রচ্ছন্ন থাকে , তবে ভাব - সম্প্রসারণের সময় প্রয়োজনে অতিরিক্ত অনুচ্ছেদ - যোগে ব্যাখ্যা করলে ভালো হয় । 

৩ . মূলভাবকে বিশদ করার সময় সহায়ক দৃষ্টান্ত , প্রাসঙ্গিক তথ্য বা উদ্ধৃতি ব্যবহার করা সংগত । এমনকি প্রয়োজনে ঐতিহাসিক , পৌরাণিক বা বৈজ্ঞানিক তথ্যও উল্লেখ করা যায় । তবে ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক তথ্য , উদ্ধৃতি দেওয়ার চেয়ে না দেওয়াই ভালো । 

৪. সহজ - সরল ভাষায় , সংক্ষেপে ভাবটি উপস্থাপন করা উচিত । প্রয়োজনে যুক্তির দ্বারা তাৎপর্যটি উদ্ধার করতে হবে ।


মূলভাবঃ পার্থিব জীবনে অর্থের প্রয়োজন সর্বাধিক হলেও পৃথিবীতে অধিকাংশ অন্যায় ও অঘটনের উৎস হলো অর্থ। এই কারণে বলা হয় অর্থই অনর্থের মূল।


সম্প্রসারিত ভাবঃ জীবনধারণের জন্য অর্থের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।  জীবনের সীমাহীন অভাব পূরণের জন্যে প্রয়োজন অর্থের। অর্থ ছাড়া মানুষের জীবন একেবারেই অচল। তাই মানুষ তার কাঙ্ক্ষিত অর্থ উপার্জনের জন্য কঠোর পরিশ্রম এবং নানা প্রতিকূলতার সাথে সংগ্রাম করে। বর্তমান সমাহে একমাত্র অর্থের মাপকাঠি দ্বারাই প্রতিপত্তি ও সম্মান নির্ণীত হয়। প্রখ্যাত সাহিত্যির মীর মশাররফ হোসেন বলেছেন, “জন্মমাত্র টাকা, জীবনে টাকা, জীবনান্তেও টাকা, জগতে টাকারই খেলা।” আবার এ অর্থই পৃথিবীর সমস্ত অমঙ্গলের জন্য দায়ী। অর্থের লোভে নীতি বিসর্জন দিয়ে মানুষ অহরহ দুষ্কর্মে লিপ্ত হয়। কেননা মানুষের অর্থলিপ্সার কোনো শেষ নেই।  সীমহীন অর্থলালসা মানুষের নৈতিক অধঃপতন ঘটনা।  অর্থের লোভেই মানুষ নানা প্রকার সমাজবিরোধী কাজে লিপ্ত হয়ে সামাজিক অবক্ষয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায় পৃথিবীর যত দ্বন্দ, অশান্তি ও সংঘাতের মূল কারণ অর্থ-সম্পদের স্বার্থেই রাষ্ট্রের - রাষ্ট্রে যুদ্ধের উন্মাদনা জাগে, শ্রমিক - মালিকে দেখে দেয় মতবিরোধ এবং ভাইয়ে ভাইয়ে শুরু হয় চরম শত্রুতা। অর্থের লোভাই মানুষ মানুষের খুন করে। সমাজে ঘুষ, দুর্নীতি, রাহাজানি, কালোবাজারি কিংবা চোরাচালানির মতো জঘন্য কাজগুলো সংঘটনের পেছনে রয়েছে মানুষের অর্থলিপ্সা। অর্থই মানুষের সমস্ত অধঃপতনের কারণ। তাই মীর মশাররফ হোসেন দুঃখ করে বলেছেন,“হায় রে পাতকী অর্থ!তুই জগতে সকল অনর্থের মূল।”


মন্তব্যঃ যে অর্থ জীবনযাপনের জন্য অপরিহার্য, সে অর্থই বসে আছে পৃথিবীর সকল অন্যায়,  অপকর্ম ও অনৈতিকতার মূলকেন্দ্রে। তাই “অর্থ অনর্থের মূল” কথাটি চরম বাস্তব ও তাৎপর্যপূর্ণ।


আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড। বাংলা ২য় পত্র আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য

আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড। বাংলা ২য় পত্র আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য

এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার জন্য  আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড। অন্যন সকল শ্রেণির জন্য এই ভাবসম্প্রসারণটি লেখা যাবে। 

ভাবসম্প্রসারণ কি? ভাবসম্প্রসারণ কাকে বলে?

আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য ভাবসম্প্রসারণ মানুষ কখনো কখনো অল্প কথায় মনের ভাব প্রকাশ করে । এই ভাবকে ঠিক রেখেই এর সম্প্রসারণ করতে হয় । ভাবসম্প্রসারণ অনেকটা ভাবার্থের বিপরীত । কোনো পদ্যাংশ বা গদ্যাংশের ভেতর একটি গূঢ় তাৎপর্য অত্যন্ত স্বপ্নায়তনে থাকে । তাকে বিস্তৃতভাবে প্রকাশ করার নামই ভাবসম্প্রসারণ। ইংরেজিতে এটিকে Amplification বা Explanation of idea বলে । আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য ।

আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য ভাবসম্প্রসারণ

সুতরাং যে ভাব বা Idea সংক্ষেপে বা ইঙ্গিতে করা হয়েছে , তাকেই বিস্তৃত করে প্রকাশ করাকে ভাবসম্প্রসারণ বলা হয় ।

৬ষ্ঠ,৭ম, ৯ম, এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার জন্য আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড। 




মূলভাব : আমাদের শিক্ষা সম্পর্কিত প্রচলিত ধারণা ভ্রান্ত । সার্টিফিকেট নয় আত্মশক্তি অর্জনই যে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য তা আমরা বিশ্বাস করতে কুণ্ঠাবোধ করি ।


সম্প্রসারিত ভাব : আমাদের সমাজে শিক্ষা মানে কতিপয় সার্টিফিকেট লাভের মাধ্যমে একটা চাকরি জোগাড় করা । প্রকৃতপক্ষে নিজেকে জানা বা নিজের সম্পর্কে সম্যক জ্ঞানলাভ করাই শিক্ষার উদ্দেশ্য । শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ নিজের ক্ষমতা ও শক্তির বিকাশ ঘটাতে সক্ষম হয় । শিক্ষার ফলে মানুষের আত্মপ্রত্যয় বা আত্মবিশ্বাসের উন্মেষ ঘটে । আর আত্মবিশ্বাসের বলেই মানুষ তার জীবনকে সুখী ও সুন্দর করে গড়ে তোলার অনুপ্রেরণা লাভ করে থাকে । জীবনকে সার্থক ও সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে মানুষকে অনেক দুঃখ - কষ্ট সহ্য করতে হয় এবং জীবনে নানা ঘাত - প্রতিঘাতে ক্ষত - বিক্ষত হয়ে প্রতিকূল অবস্থার সাথেই লড়াই করতে হয় । আত্মবিশ্বাস থেকে সৃষ্ট আত্মশক্তির বলেই মানুষ জীবন সংগ্রামে জয়ী হতে পারে । আত্মশক্তি মানুষকে তার নিজের ক্ষমতা ও সামর্থ্যের প্রতি আস্থাশীল করে । ফলে সে জীবনের মূল লক্ষ্যের ধারণালাভে সক্ষম হয় এবং নিজেকে সাফল্যের উচ্চতম সোপানে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে । জীবনের সমৃদ্ধি ও সফলতাই মানুষের কাম্য । আর এজন্য শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আত্মশক্তিকে জাগ্রত করা । কিন্তু আমাদের দেশে শিক্ষার উদ্দেশ্য হচ্ছে পরীক্ষায় পাস করার মাধ্যমে সার্টিফিকেট লাভ এবং একটি চাকরির ব্যবস্থা করা । ফলে আমাদের আত্মিক উন্নতি হয়ে আত্মশক্তির জাগরণ ঘটছে না ।

মন্তব্য : শিক্ষা সম্পর্কিত আমাদের প্রচলিত ধারণায় পরিবর্তন আনতে হবে । জ্ঞানশূন্য ও সার্টিফিকেট - সর্বস্ব শিক্ষার পরিবর্তে আমাদের প্রকৃত শিক্ষা গ্রহণে ব্রতী হতে হবে । অন্যথায় জাতীয় জীবনের আশা - আকাঙ্ক্ষা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে ।

নিচে গিয়ে ভাবসম্প্রসারণ এর সম্পূর্ণ তালিকা দেখুন।

আপনাদের সুবিধার কথা চিন্তা করে এবং আপনাদের ইংরেজি ভাষা পড়া ও চর্চা করার জন্য আত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্য ভাবসম্প্রসারণটি ইংরেজি ভাষাতে লেখা হয়েছে নিচে তা ইংরেজি অনুবাদ দেওয়া আছে। আপনি সেখান থেকে পড়তে এবং কপি করতে পারবেন, ধন্যবাদ। 






চরিত্রহীন ব্যক্তি পশুর সমান ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড। বাংলা ২য় পত্রের ভাবসম্প্রসারণ চরিত্রহীন ব্যক্তি পশুর সমান | কৌণিক বার্তা

চরিত্রহীন ব্যক্তি পশুর সমান ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড। বাংলা ২য় পত্রের ভাবসম্প্রসারণ চরিত্রহীন ব্যক্তি পশুর সমান | কৌণিক বার্তা

এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার জন্য  চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ । অথবা , চরিত্রহীন ব্যক্তি পশুর সমান । অথবা , চরিত্র মানবজীবনের মুকুটস্বরূপ ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড। অন্যন সকল শ্রেণির জন্য এই ভাবসম্প্রসারণটি লেখা যাবে। 

ভাবসম্প্রসারণ কি? ভাবসম্প্রসারণ কাকে বলে?

চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ । অথবা , চরিত্রহীন ব্যক্তি পশুর সমান । অথবা , চরিত্র মানবজীবনের মুকুটস্বরূপ ভাবসম্প্রসারণ মানুষ কখনো কখনো অল্প কথায় মনের ভাব প্রকাশ করে । এই ভাবকে ঠিক রেখেই এর সম্প্রসারণ করতে হয় । ভাবসম্প্রসারণ অনেকটা ভাবার্থের বিপরীত । কোনো পদ্যাংশ বা গদ্যাংশের ভেতর একটি গূঢ় তাৎপর্য অত্যন্ত স্বপ্নায়তনে থাকে । তাকে বিস্তৃতভাবে প্রকাশ করার নামই ভাবসম্প্রসারণ। ইংরেজিতে এটিকে Amplification বা Explanation of idea বলে । চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ । অথবা , চরিত্রহীন ব্যক্তি পশুর সমান । অথবা , চরিত্র মানবজীবনের মুকুটস্বরূপ ভাবসম্প্রসারণ নিচে দেওয়া হয়েছে বিস্তিরিত।

চরিত্রহীন ব্যক্তি পশুর সমান ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড।

সুতরাং যে ভাব বা Idea সংক্ষেপে বা ইঙ্গিতে করা হয়েছে , তাকেই বিস্তৃত করে প্রকাশ করাকে ভাবসম্প্রসারণ বলা হয় ।

৬ষ্ঠ,৭ম, ৯ম, এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার জন্য চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ । অথবা , চরিত্রহীন ব্যক্তি পশুর সমান । অথবা , চরিত্র মানবজীবনের মুকুটস্বরূপ ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড। 



মূলভাব : মানবজীবনে উত্তম চরিত্রের চেয়ে মূল্যবান কোনো সম্পদ নেই । মূলত চারিত্রিক বিচারেই একজন মানুষ ভালো কিংবা মন্দ বলে বিবেচিত হয় । 


সম্প্রসারিত ভাব : চরিত্র মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ । চরিত্রবান ব্যক্তি স্বকীয় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের গুণে সমাজে শ্রদ্ধাভাজন ও সমাদৃত হয়ে থাকেন । চরিত্র মানুষকে সুশোভিত করে । মানুষ তার শারীরিক সৌন্দর্য আরও আকর্ষণীয় ও মধুময় করতে সুন্দর পোশাক ও অলঙ্কার ব্যবহার করে । মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ অপরিহার্য উপাদান হচ্ছে স্বাস্থ্য , অর্থ এবং বিদ্যা । জীবনে এগুলোর যতই অবদান থাক না কেন , এককভাবে এগুলোর কোনোটিই মানুষকে সর্বোত্তম মানুষে পরিণত করতে সক্ষম নয় । কথায় আছে , ‘ সম্পদ হারালে কোনো কিছু ক্ষতি হয় না , স্বাস্থ্য হারালে কিছুটা ক্ষতি হয় ; কিন্তু চরিত্র হারালে কিছুই অবশিষ্ট থাকে না । '

যার পরশে জীবন ঐশ্বর্যমণ্ডিত হয় এবং যার বদৌলতে মানুষ জনসমাজে শ্রদ্ধা ও সম্মানের পাত্র হিসেবে আদৃত হয়ে থাকে , তা চরিত্র ছাড়া অন্য কিছুই নয় । নামমাত্র নৈতিকতা বা ন্যায়নিষ্ঠতাই চরিত্র না , চরিত্রের মাঝে সমন্বয় ঘটাতে হয় মানুষের যাবতীয় মানবীয় গুণাবলি ও আদর্শের মাধ্যমে । চরিত্রবান ব্যক্তি জাগতিক মায়া - মোহ ও লো- লালসার বন্ধনকে ছিন্ন করে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠায় অবিচল থাকেন । পার্থিব সম্পদ মানুষের সচ্ছলতা ও প্রতিপত্তি এনে দিলেও আত্মিক সৌন্দর্য এবং মানসিক ঔদার্যের জন্য চাই সুন্দর চরিত্র । চারিত্রিক গুণাবলির অভাব বা ত্রুটি ঘটলে মানুষের গৌরব বলতে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না । চরিত্রহীন লোককে সবাই ঘৃণা করে । সে কারণে যথার্থ মানুষ হওয়ার জন্য অবশ্যই চরিত্রবান হতে হবে ।

মন্তব্য : মানবজীবনে চরিত্রের মতো বড় অলঙ্কার আর নেই । তাই বলা হয় “ The crown and glory of life is character o চরিত্র মানবজীবনের মুকুটস্বরূপ ।

নিচে গিয়ে ভাবসম্প্রসারণ এর সম্পূর্ণ তালিকা দেখুন।

আপনাদের সুবিধার কথা চিন্তা করে এবং আপনাদের ইংরেজি ভাষা পড়া ও চর্চা করার জন্য চরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদ । অথবা , চরিত্রহীন ব্যক্তি পশুর সমান ।অথবা , চরিত্র মানবজীবনের মুকুটস্বরূপ  ভাবসম্প্রসারণটি ইংরেজি ভাষাতে লেখা হয়েছে নিচে তা ইংরেজি অনুবাদ দেওয়া আছে। আপনি সেখান থেকে পড়তে এবং কপি করতে পারবেন, ধন্যবাদ। 






মঙ্গল করিবার শক্তিই ধন , বিলাস ধন নহে - ভাবসম্প্রসারণ বাংলা ২য় পত্র ভাবসম্প্রসারণ| কৌণিক বার্তা

মঙ্গল করিবার শক্তিই ধন , বিলাস ধন নহে - ভাবসম্প্রসারণ বাংলা ২য় পত্র ভাবসম্প্রসারণ| কৌণিক বার্তা

মঙ্গল করিবার শক্তিই ধন , বিলাস ধন নহে এ ভাবসম্প্রসারণটি সহজ ভাষা লেখা হয়েছে এই পোস্ট। আপনি এই মঙ্গল করিবার শক্তিই ধন , বিলাস ধন নহে ভাবসম্প্রসারণের ইংরেজি ভাষাও নিচে দেখতে পাবে। আপনি চাই দুইটি কপি করতে পারবেন। 

ভাবসম্প্রসারণ কি? ভাবসম্প্রসারণ কাকে বলে?

মঙ্গল করিবার শক্তিই ধন , বিলাস ধন নহে ভাবসম্প্রসারণ মানুষ কখনো কখনো অল্প কথায় মনের ভাব প্রকাশ করে । এই ভাবকে ঠিক রেখেই এর সম্প্রসারণ করতে হয় । ভাবসম্প্রসারণ অনেকটা ভাবার্থের বিপরীত । কোনো পদ্যাংশ বা গদ্যাংশের ভেতর একটি গূঢ় তাৎপর্য অত্যন্ত স্বপ্নায়তনে থাকে । তাকে বিস্তৃতভাবে প্রকাশ করার নামই ভাবসম্প্রসারণ। ইংরেজিতে এটিকে Amplification বা Explanation of idea বলে । অসির চেয়ে মসি বড় ভাবসম্প্রসারণ নিচে দেওয়া হয়েছে বিস্তিরিত।

মঙ্গল করিবার শক্তিই ধন , বিলাস ধন নহে - ভাবসম্প্রসারণ

সুতরাং যে ভাব বা Idea সংক্ষেপে বা ইঙ্গিতে করা হয়েছে , তাকেই বিস্তৃত করে প্রকাশ করাকে ভাবসম্প্রসারণ বলা হয় ।

৬ষ্ঠ,৭ম, ৮ম, ৯ম,১০ম, এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার জন্য অসির চেয়ে মসি বড় ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড।


মূলভাব : ধনের উদ্দেশ্য মানবকল্যাণ । ধন - সম্পদ যারা বিলাসিতায় উড়িয়ে দেয় তারা আত্মকেন্দ্রিক ও স্বার্থপর ।

সম্প্রসারিত ভাব : অর্থ ছাড়া এই পৃথিবীতে কোনো কাজ সম্পন্ন করা যায় না । তাই বলে উপার্জিত অর্থকে বিলাসের বন্যায় ভাসিয়ে দিলে তার দ্বারা যেমন সমাজ বা জাতির কোনো কল্যাণ সাধিত হয় না , তেমনি বিপুল অর্থের পাহাড় রচনা করে শুধু কোষাগারে জমা রাখলেও সে অর্থ মূল্যহীন হয়ে পড়ে । কাজেই বিবেচনার সাথেই উপার্জিত অর্থকে ব্যয় করতে হয় । তবে পৃথিবীতে অনেকেই প্রচুর অর্থ উপার্জন করলেও খুব কম সংখ্যক লোকই অর্থের যথার্থ ব্যবহার করতে জানে । অথচ অর্থের সদ্ব্যবহারের ওপরই এর সার্থকতা নির্ভর করে । অধিকাংশ মানুষ ধনের অধিকারী হয়েই বিলাস - ব্যসন ও অপব্যয়ের স্রোতে গা ভাসিয়ে দেয় । কিন্তু এ বিলাসিতা ও অপব্যয় প্রকৃতপক্ষে তাদের কোনো মঙ্গলসাধন করে না , বরং এটা তাদেরকে অন্যায় ও পাপের পথে নিয়ে যায় । অনর্থক অপব্যয় না করে তারা পরের উপকার ও সমাজের মঙ্গলের জন্য অর্থ ব্যয় করে ধন্য হতে পারে এবং অপার আনন্দ লাভ করতে পারে । বিলাসিতার মাঝে গর্ব , অহমিকা ও দাম্ভিকতা ছাড়া আর কিছুই নেই । এগুলো মানুষের মনুষ্যত্ব নষ্ট করে তাকে পশুতে পরিণত করে । তাই বৃথা বিলাসিতা ও অপব্যয়ে মগ্ন না হয়ে প্রত্যেক ধনবান ব্যক্তির উচিত পরের উপকার ও সমাজের কল্যাণে অর্থ ব্যয় করা । তাতে ধনের উপযুক্ত ব্যবহার যেমন সুনিশ্চিত হয় তেমনি ধন উপার্জনও সার্থক হয় । 


মন্তব্য : যে ধন পরের উপকার ও সমাজের কল্যাণসাধনে ব্যয়িত হয় সেটাই প্রকৃত ধন , বিলাসিতায় ব্যয়িত ধন প্রকৃত ধন নয় । সুসিং অর্থ - সম্পদের সুষম ও কল্যাণকর ব্যবহারে আমাদেরকে সচেতন হতে হবে ।


অসির চেয়ে মসি বড় ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড। অসির চেয়ে মসি বড় ভাবসম্প্রসারণ | কৌণিক বার্তা

অসির চেয়ে মসি বড় ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড। অসির চেয়ে মসি বড় ভাবসম্প্রসারণ | কৌণিক বার্তা

বাংলা ভাবসম্প্রসারণ অসির চেয়ে মসি বড়। অসি অর্থাৎ তরবারি ক্ষমতার প্রতীক। আর ‘মসি’ অর্থাৎ লেখার জন্য ব্যবহৃত কালি জ্ঞানের প্রতীক। ক্ষমতালিপ্সু মানুষরা অসির বলে অনেক প্রাণ বিনষ্ট করে নিজের আধিপত্য বিস্তার করে

ভাবসম্প্রসারণ কি? ভাবসম্প্রসারণ কাকে বলে?

অসির চেয়ে মসি বড় ভাবসম্প্রসারণ মানুষ কখনো কখনো অল্প কথায় মনের ভাব প্রকাশ করে । এই ভাবকে ঠিক রেখেই এর সম্প্রসারণ করতে হয় । ভাবসম্প্রসারণ অনেকটা ভাবার্থের বিপরীত । কোনো পদ্যাংশ বা গদ্যাংশের ভেতর একটি গূঢ় তাৎপর্য অত্যন্ত স্বপ্নায়তনে থাকে । তাকে বিস্তৃতভাবে প্রকাশ করার নামই ভাবসম্প্রসারণ। ইংরেজিতে এটিকে Amplification বা Explanation of idea বলে । অসির চেয়ে মসি বড় ভাবসম্প্রসারণ নিচে দেওয়া হয়েছে বিস্তিরিত।

অসির চেয়ে মসি বড় ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড

সুতরাং যে ভাব বা Idea সংক্ষেপে বা ইঙ্গিতে করা হয়েছে , তাকেই বিস্তৃত করে প্রকাশ করাকে ভাবসম্প্রসারণ বলা হয় ।

৬ষ্ঠ,৭ম, ৮ম, ৯ম,১০ম, এসএসসি ওো জেএসসি পরীক্ষার জন্য অসির চেয়ে মসি বড় ভাবসম্প্রসারণ ডাউনলোড। 

অসির চেয়ে মসি বড় এই ভাবসম্প্রসারণ এখান থেকে লেখা শুরু করুণ ☞

মূলভাব : অসি দ্বারা মানুষকে ধ্বংস করা যায় কিন্তু মসি দ্বারা মানুষকে ধ্বংস করা যায় না । মসি দ্বারা মানুষের বিবেক জাগ্রত করা যায় । জগত্মক সব অন্ধকার থেকে দূর করে আলোয় উদ্ভাসিত করা যায় । 


সম্প্রসারিত ভাব : অসি অর্থ তলোয়ার । মসি অর্থ কলমের কালি । অসি অর্থাৎ তলোয়ার দ্বারা মানুষকে কতল করা যায় কিন্তু মসি দ্বারা শারীরিকভাবে কতল করা যায় না । তাই দৃশ্যত মনে হতে পারে অসি মসি অপেক্ষা বড় । তলোয়ার তথা অসি যতদিন ধারাল থাকবে ততদিন কতল করতে পারবে কিন্তু ধারালতা কমে গেলে আর পারবে না । অসি বাহুশক্তি নির্ভরশীল , বাহুর বলে সে বলীয়ান । বাহুর ক্ষমতা বা শক্তি শেষ হয়ে গেলে অসির ক্ষমতাও শেষ হয়ে যায় । কিন্তু মসি জ্ঞাননির্ভর । জ্ঞান কখনো শেষ হয় না । উপরন্তু জ্ঞান চর্চা করলে তা দিন দিন বৃদ্ধি পায় ।


মসির দ্বারা জগ সভ্যতা বিকাশমান হয় , সংরক্ষিত হয় ইতিহাস , সংস্কৃতি এবং প্রকাশিত হয় মানুষের চিন্তা চেতনার সৃজনশীলতা । অসি এসব কিছুই পারে না । অসি যা পারে তা মানবকল্যাণের ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা রাখতে পারে না । অসি শুধু ধ্বংস করতে পারে । অসির এই ধ্বংসাত্মকমূলক কাজ মানবকল্যাণে বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন করে । যা স্বাভাবিক মানবকল্যাণকে ব্যাহত করে । অপরপক্ষে মসি আত্মজাগরণকে ব্যাপ্ত করে বিশাল মানবসমাজে ছড়িয়ে দেয় সভ্যতার আলো ও ন্যায়ের বারতা । মনীষীগণ মসি দ্বারাই বিজ্ঞান , সাহিত্য , ইতিহাস , চিকিৎসাশাস্ত্র , রাষ্ট্রনীতি প্রভৃতি বিষয়ে তাদের চিন্তাধারা ও জ্ঞানগর্ভ রচনা করে যাচ্ছেন সেগুলো পড়ে দেশ ও জাতি উপকৃত হচ্ছে । তাই অসির চেয়ে মসি যে শক্তিমান তা বারবার প্রমাণিত হয়েছে পৃথিবীর বুকে । 


মন্তব্য : অসির চেয়ে মসি অত্যন্ত কল্যাণময় কেননা মসি মানবকল্যাণে নিয়োজিত । তাই বলা যায় “ অসির চেয়ে মসি বড় । ” 


অসির চেয়ে মসি বড় ভাবসম্প্রসার শেষে।


Sony মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি কমপ্যাক্ট, ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন নিয়ে এসেছে | কৌণিক বার্তা

Sony মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি কমপ্যাক্ট, ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন নিয়ে এসেছে | কৌণিক বার্তা

 Sony Xperia 5 III Phone price bd

সোনির ছোট ফোনটিতে একটি হেডফোন জ্যাক এবং একটি মাইক্রোএসডি স্লট রয়েছে।

Sony Xperia 5 III Price in Bangladesh TK

TK. ৳৮৫,৮৪৪ প্রায়।

Sony Xperia 5 III, সবুজ রঙে। Sony একটি $1,000 মূল্যের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন, Xperia 5 III, মার্কিন বাজারে আনছে৷  ডিভাইসটিকে "নতুন" বলাটা অবশ্য কিছুটা প্রসারিত, কারণ ফোনটি নয় মাস আগে ঘোষণা করা হয়েছিল।


আপনি দাম থেকে আশা করতে পারেন, Xperia 5 III একটি উচ্চ-সম্পদ ফ্ল্যাগশিপ। 

এটিতে একটি “স্ন্যাপড্রাগন 888 SoC, 8GB RAM, 128GB স্টোরেজ, একটি 4500 mAh ব্যাটারি এবং একটি 6.1-ইঞ্চি, 120 Hz, 2520×1080 OLED ডিসপ্লে রয়েছে।  তিনটি পিছনের ক্যামেরা রয়েছে- একটি 12 এমপি প্রধান ক্যামেরা, একটি 12 এমপি আল্ট্রাওয়াইড এবং একটি 12 এমপি 3x টেলিফটো।  মাত্র ৬৮ মিমি চওড়ায়, Xperia 5 III হল বাজারে সবচেয়ে কমপ্যাক্ট অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলির মধ্যে একটি৷  এটির একটি খুব লম্বা ২১:৯ ডিসপ্লে রয়েছে, তবে প্রস্থের দিক থেকে, এটি একটি iPhone 13 Mini থেকে মাত্র ৪ মিমি বড়।” যদিও এটি অ্যান্ড্রয়েড ১১ এর সাথে শিপিং করা হয়, একটি Android 12 আপডেট শীঘ্রই হবে।


ডিজাইনের ক্ষেত্রে সনি অবশ্যই তার নিজস্ব ড্রামের তালে তালে তালে চলে।  যথারীতি, সোনির ফোনটি আক্রমনাত্মকভাবে আয়তক্ষেত্রাকার এবং একটি সুদর্শন, ন্যূনতম চেহারা রয়েছে৷  সামনের বেজেলটি একটি অনন্য সংযোজন।  একটি খাঁজ বা একটি ছিদ্র পাঞ্চের পরিবর্তে, Sony একটি নিরবচ্ছিন্ন ডিসপ্লে তৈরি করে ক্যামেরাটিকে শ্বাস নেওয়ার জন্য কিছুটা জায়গা দেওয়ার জন্য একটি বড় বেজেল নিয়ে গিয়েছিল৷

Sony Xperia 5 III phone camera

কোম্পানী ফোনের নীচে একটি বড় ফাঁকা জায়গাও রেখেছে যাতে সামনের অংশটি প্রতিসম হবে।  অন্যান্য নন-স্ট্যান্ডার্ড ডিজাইনের সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে রয়েছে একটি সাইড-মাউন্ট করা ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার, একটি হার্ডওয়্যার ক্যামেরা বোতাম, একটি মাইক্রোএসডি স্লট এবং এমনকি একটি ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক।



বেশিরভাগ মার্কিন গ্রাহকদের জন্য, এই রিলিজটি তাদের একমাত্র অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে যে সনি এখনও স্মার্টফোন তৈরি করে।  আপনি যদি দীর্ঘ মার্কিন বিলম্ব থেকে বলতে না পারেন, কোম্পানিটি তার স্মার্টফোন ব্যবসার সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে না।  বছরের পর বছর যন্ত্রণার পর Android-এ LG-কে তোয়ালে ছুঁড়ে দেওয়া দেখে, আপনাকে বাজারে Sony-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে হবে।


Sony এর মোবাইল বিভাগ এপ্রিল ২০২১-এ দীর্ঘ সময়ের মধ্যে তার প্রথম লাভজনক ত্রৈমাসিক পোস্ট করেছিল, কিন্তু খবরটি সব ইতিবাচক নয়;  লাভজনকতা বছরের মধ্যে তার সর্বনিম্ন ফোন চালানের কিছুতেও ছিল। বিভাগটি শুধুমাত্র খরচ কমিয়ে বইয়ের ভারসাম্য বজায় রাখতে পেরেছে, এবং বিক্রয় এখনও ২০১৪ সাল থেকে ব্যাপক নিম্নমুখী প্রবণতায় রয়েছে। তবুও, যদিও, আপনি যদি চান তবে একটি কমপ্যাক্ট অ্যান্ড্রয়েড ফোন এখানে রয়েছে।

শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড ভাব-সম্প্রসারণ ডাউনলোড বাংলা ২য় পত্র | কৌণিক বার্তা

শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড ভাব-সম্প্রসারণ ডাউনলোড বাংলা ২য় পত্র | কৌণিক বার্তা

শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড ভাব-সম্প্রসারণ ডাউনলোড  কৌণিক বার্তা

শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড এই ভাব-সম্প্রসারণ ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম ও ১০ম এবং এসএসসি সকল পরীক্ষায় কমান পাওয়া যায়। বাংলা ২য় পত্রের নির্মিত অংশে এই ভাব-সম্প্রসারণ লিখতে হয়। আমাদের এই রকম সকল পরীক্ষার কমান পরে বেশি এমন সকল কিছু প্রকাশ করে থাকি৷

এই পোষ্টে আপনি পাবে শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড এই ভাব-সম্প্রসারণ। এর বিস্তারিত এবং সহজ এবং ছোট করে লেখা হয়েছে।

শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড ভাব-সম্প্রসারণ এখান থেকে শুরু...

“শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড”

মূলভাবঃ শিক্ষা ছাড়া জাতিই উন্নতি করতে পারে না। ব্যক্তি, সমাজ ও জাতির সার্বিক উন্নতির জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। এই জন্য বলা হয় শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড।


সম্প্রসারিত ভাবঃ জাতির যদি আমরা প্রাণিদেহের সাথে তুলনা করি তাহলে শিক্ষাকে তুলনা করা চলে মেরুদণ্ডের সাথে। মেরুদণ্ডহীন মানুষ বা প্রাণী যেমন দুর্বল ও অবনত তেমনি শিক্ষাহীন জাতিও অনুন্নত, পশ্চাৎপদ। শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি জ্ঞান-বিজ্ঞানে উন্নতির চরম শিখরে আরোহণ করতে পারে না। একটি জাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য শিক্ষা বা জ্ঞানের কোনো বিকল্প নেই। ইংরেজিতে বলা হয় 'Education is the backbone fo a Nation'  আবার শিক্ষার ফলে অর্জিত জ্ঞানকে বলা হয়েছে শক্তি (Knowledge is Power)।শিক্ষার অভাবে জন্ম নেয় মূর্খতা ও কুসংস্কার। মূর্খতা জাতিকে পেছনের দিকে টানে, সামনে এগিয়ে যেতে দেয় না।


 মূর্খতার অন্ধকারকে দূর করতে হলে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার প্রভাবেই মানুষ নানা কুসংস্কার ও সংকীর্ণতার বেড়া ডিঙিয়ে জাতিকে নিয়ে যেতে পারে উন্নতির চরম লক্ষ্যে। তাই শিক্ষাকে জাতির মেরুদণ্ডরূপে আখ্যায়িত করা হয়। কারণ শিক্ষা ছাড়া জাতির প্রাণশক্তির ধারণা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, শিল্প-সংস্কৃতি কোনো কিছুরই চর্চা করা সম্ভব নয়। পবিত্র কুরআন ও হাদীসে শিক্ষাকে আলো ও অশিক্ষাকে অন্ধকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আলো যেমন পৃথিবীকে অন্ধকার থেকে মুক্তি দেয় তেমনি শিক্ষার পাশে ব্যাক্তি ও সমাজ লাভ করে চেতনাগত প্রগতি। বৈষয়িক তথা অর্থনৈতিক মুক্তির সোপানও শিক্ষা। তাই জাতীয় উন্নতির পূর্বশর্ত হিসেবে আমাদের দেশে শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে।


মন্তব্যঃ পৃথিবীতে যে সমস্ত জাতি উন্নতি চরম শিখরে পৌঁছেছে তাদের মূলে রয়েছে শিক্ষা।  তাই আমাদের ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে শিক্ষাবিস্তারে যত্নশীল হতে হবে।


শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড ভাব-সম্প্রসারণ শেষে।

আরও ভাব-সম্প্রসারণ দেখতে আমাদের সাথে থাকুন। 

মুম্বাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগুন (ভিডিও) |  কৌণিক বার্তা

মুম্বাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগুন (ভিডিও) | কৌণিক বার্তা

মুম্বাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগুন (ভিডিও) |  কৌণিক বার্তা

সোমবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ১টায় মুম্বাই বিমানবন্দরে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানের কাছেই 

মুম্বাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালবহনকারী দুটি ভ্যানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন বিমানের ৮৫ যাত্রী।


জামনগরগামী বিমানটিতে ৮৫ জন যাত্রী ছিলেন। ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, দমকল কর্মীরা ভ্যান দুটিতে লাগা আগুন নেভাতে কাজ করছেন।কর্মকর্তারা জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বিমানের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এয়ার ইন্ডিয়া এক বিবৃতিতে জানায়, কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।



নওগাঁর মহাদেবপুরে বিজিবি প্রধানের শীতকালীন মহড়া পরিদর্শন  | কৌণিক বার্তা

নওগাঁর মহাদেবপুরে বিজিবি প্রধানের শীতকালীন মহড়া পরিদর্শন | কৌণিক বার্তা

 

নওগাঁর মহাদেবপুরে বিজিবি প্রধানের শীতকালীন মহড়া পরিদর্শন  | কৌণিক বার্তা

সীমান্ত হত্যা ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নতুন-নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে বিজিবি। ভারত সীমান্ত এলাকার 

মানুষদের জন্য পাসপোর্ট-ভিসার স্থলে স্বল্পমেয়াদী অনুমতি পত্র চালু করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে বিএসএফ ও ভারত সরকারকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। 


সোমবার ১০ জানুয়ারি দুপুরে নওগাঁর মহাদেবপুরে বিজিবির শীতকালীন মহড়া পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শাফিনুল  ইসলাম। 


পরিদর্শনকালে মহাদেবপুর উপজেলার খাজুর এলাকায় মহড়া পরিদর্শন করেন তিনি।


তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ- ভারতের যেসব এলাকায় সীমান্ত রয়েছে এদের অনেক আত্নীয় দুই পারেই বসবাস করে। ফলে বিভিন্ন উৎসব পার্বনে তাদের যাতায়াত 

আদিকাল থেকে। কিন্তু এখন সীমানা হয়েছে। পাসপোর্ট ও ভিসার প্রয়োজন হয়। ফলে ভিসা ছাড়া কেউ ভারতে গেলে তখনই সেটা অবৈধ অনুপ্রবেশ হয়। এজন্য বিষয়টি নিয়ে বিজিবি যাচাই-বাছাই করছে। যদি এই স্বল্পমেয়াদী অনুমতি পত্র চালু করা যায় তাহলে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ করা অনেকাংশেই সম্ভব হবে বলেও তিনি জানান । 

এসময় বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

“অভাব অল্প হলে দুঃখ অল্প হয়ে থাকে” এর ভাব-সম্প্রসারণ, বাংলা ২য় অষ্টম শ্রেণির | কৌণিক বার্তা

“অভাব অল্প হলে দুঃখ অল্প হয়ে থাকে” এর ভাব-সম্প্রসারণ, বাংলা ২য় অষ্টম শ্রেণির | কৌণিক বার্তা

সকল শ্রেণির জন্য ভাব-সম্প্রসারণ প্রকাশ করে থাকি কৌণিক বার্তা ওয়েবসাইট। এসএসসি, এইচএসসি, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম ও ১০ শ্রেণির জন্য ভাব-সম্প্রসারণ প্রকাশ করে থাকি আমরা।

“অভাব অল্প হলে দুঃখ অল্প হয়ে থাকে” এর ভাব-সম্প্রসারণ, বাংলা ২য় অষ্টম শ্রেণির | কৌণিক বার্তা

বাংলা ২য় পত্রঃ নির্মিতি অংশ ভাব-সম্প্রসারণ

“অভাব অল্প হলে দুঃখ অল্প হয়ে থাকে” এর ভাব-সম্প্রসারণ, বাংলা ২য় অষ্টম শ্রেণির।

“অভাব অল্প হলে দুঃখ অল্প হয়ে থাকে”

মূলভাবঃ পৃথিবীতে কেউ অভাব প্রত্যাশা করে না। কিন্তু একথা সত্য যে, অভাবের সাথে জীবনের সুখ-দুঃখের একটা সম্পর্ক বিদ্যামান আছে।

সম্প্রসারিত ভাবঃ “অভাব অল্ট হলে দুঃখ অল্প হয়ে থাকে" অর্থীতির প্রথম বাক্যই হলো “অভাবের মাধ্যেই মানুষের জন্ম” তাই অভাব চিরন্তন। জীবনের প্রয়োজনে অভাব অক্টোপাসের মতো চারদিক থেকে জড়িয়ে ধরবে একথা অনস্বীকার্য। অভাব পূরণ বা নিরসনের জন্য মানুষকে উদয়াস্ত ব্যস্ত জীবনযাপন করতে হয়। তবে অভাবের বৈশিষ্ট্যই এই যে, তা যতই পূরণ হবে ততই বৃদ্ধি পাবে। অভাব বা চাহিদার কোনো শেষ নেই। তাই অভাবকে অর্থনীতির ভাষায় অসীম বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

অভাব পূরণের জন্য নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে গিয়ে মানুষের প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক দুঃখ-কষ্টের মুখোমুখি হতে হয়। আমরা জানি, চাহিদা থেকেই অভাবের জন্ম। চাহিদা যার কম অভাবও তার কম। আর স্বাভাবিকভাবে তার দুঃখও কম। তাই চাহিদাকে সীমিত রাখারই বুদ্ধিমানের কাজ। অভাবরূপ রাহুর করাল গ্রাস থেকে অব্যাহতি লাভের একটি সহজ পথ হচ্ছে মিতব্যয়িতা। মিতব্যয়িতার মাধ্যমে জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয়-সংকোচন করে চলতে পারলে অভাব ও তার চাহিদাও সীমিত হয়ে পড়বে। তখন একটি পরিকল্পিত নিয়মে জীবনযাত্রা নির্বাহ করা যাবে। ফলে নানা দুশ্চিন্তার দুঃখবোধ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।

মন্তব্যঃ অভাব জীবনে বাস্তবতারই অপরিবাহী অংশ। তাই অভাব-অভিযোগকে বাস্তব বলেই মেনে নেয়া উচিত। অভাবের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবার লক্ষ্যে চাহিদাকে সীমিত রেখে অল্পে তুষ্ট থাকার মন-মানসিকতা আমাদের গড়ে তোলা উচিত।

“অভাব অল্প হলে দুঃখ অল্প হয়ে থাকে” এই ভাব-সম্প্রসারণটি শেষ। 

ভাব-সম্প্রসারণ পেতে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে থাকুন। আপমি কি দেখতে চাই কমেন্টে অথবা নিচে যোগাযোগ ফর্মপূরণ  করে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা চেষ্টা করবো সেই সম্পর্কে পোস্ট করার। ধন্যবাদ সবাইকে সাথে থাকার জন্য।


বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ | Bangladesh Army Civilian Job Circular 2022 | কৌণিক বার্তা

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ | Bangladesh Army Civilian Job Circular 2022 | কৌণিক বার্তা

সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ | Army Civilian Job Circular

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ | Bangladesh Army Civilian Job Circular 2022

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ | Bangladesh Army Civilian Job Circular 2022 সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিম্ন সংগঠনে “জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ১০তম হতে ২০তম গ্রেডের নিম্নবর্ণিত অসামরিক স্থায়ী/অস্থায়ী পদে নিয়োগের জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন বাংলাদেশী নাগরিকদের নিকট হতে দরখাস্ত আহবান করা যাচ্ছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ | Bangladesh Army Civilian Job Circular 2022


চাকরির ধরনঃ সরকারি চাকরি

জেলাঃ সকল জেলা

প্রতিষ্ঠানের দাতা নামঃ সেনাবাহিনীর বেসামরিক

ওয়েবসাইটঃ www.army.mil.bd

পদ সংখ্যাঃ অসামরিক

খালি পদঃ ৪৫২ জন

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ অষ্টম শ্রেণি

আবেদন শেষ তারিখঃ ৩১ জানুয়ারি, ২০২২

আবেদনের মাধ্যমঃ ডাকযোগে

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ | Bangladesh Army Civilian Job Circular 2022

সেনাবাহিনী বেসামরিক নিয়োগ ২০২২ উল্লেখিত সকল পদের আবেদনপত্র নির্ধারিত ঠিকানায় পৌঁছানোর শেষ তারিখঃ ৩১ জানুয়ারি ২০২২

আবেদন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এবং আবেদনপত্র প্রেরণের ঠিকানাসহ আবেদন ফরমের জন্য ভিজিট করুন : www.army.mil.bd

নিম্নস্বাক্ষরকারী তথা কন্ট্রোলার অব সিভিলিয়ান পার্সোনেল, সেনাসদর, এজি’র শাখা, পিএ পরিদপ্তর বরাবর কোন আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য নয়। অত্র পরিদপ্তর বরাবর প্রেরিত আবেদনপত্র সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে।

সতর্কীকরণঃ সেনাবাহিনীতে নিয়োগের সকল কার্যক্রম সেনানিবাসের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয় এবং নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র সেনানিবাসের সংশ্লিষ্ট দপ্তর হতে ডাকযোগে প্রদান করা হয়। সেনাবাহিনীতে ভর্তির জন্য প্রতারক বা দালালের কবল থেকে সতর্ক থাকুন।সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ ২০২২।বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি । কেউ আর্থিক লেনদেনসহ কোন প্রকার প্রতারণা করার চেষ্টা করলে তাকে নিকটস্থ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট সোপর্দ করুন। ভুয়া ঠিকানা, ভুয়া সনদপত্র কিংবা ভুল তথ্য প্রদানের মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে ভর্তির তথ্য উদ্ঘাটিত হলে চাকুরীর যে কোনো পর্যায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা (বরখাস্ত করাসহ) গ্রহণ করা হবে।

সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ ২০২২।বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ | Bangladesh Army Civilian Job Circular 2022

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ | Bangladesh Army Civilian Job Circular 2022
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ | Bangladesh Army Civilian Job Circular apply from 2022

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বেসামরিক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ | Bangladesh Army Civilian Job Circular 2022

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য খাতের দুর্বলতা থাকায়! বিদেশে চলে যাচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা | কৌণিক বার্তা

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য খাতের দুর্বলতা থাকায়! বিদেশে চলে যাচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা | কৌণিক বার্তা

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য খাতের দুর্বলতা থাকায়! বিদেশে চলে যাচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা | কৌণিক বার্তা

বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রতিবছর চলে যাচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাত যুগ উপযোগী করার পরামর্শ বিশ্লেষকদের। উন্নত স্বাস্থ্য সেবা পেতে ও অবকাশ যাপনের জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে।

স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের দাবি, অতিরিক্ত চিকিৎসা ব্যয় ও চিকিৎসকদের আন্তরিকতার অভাবে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা বেশি।

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের স্বাস্থ্য এবং পর্যটন খাত আরও যুগোপযোগী ও আধুনিক করতে না পারলে এই খাতে ব্যয় বেড়েই চলবে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপে দেখা গেছে, বিদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয় স্বাস্থ্য খাতে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো'র জরিপ অনুযায়ী- ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে দেশের মানুষ বিদেশ যাত্রায় ব্যয় করেছেন ৩৩ হাজার ৬৮৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা। সবচেয়ে বেশি ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে চিকিৎসা খাতে। এরপর পরিবহণ খাতে।  

ট্যুরিজম বোর্ড জানায়, স্বাভাবিক সময়ে বছরে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ লাখ মানুষ বিদেশ ভ্রমণে যায়। এর বিপরীতে দেশে বছরে পর্যটক আসে মাত্র ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ। 

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ বলেন, আমাদের দেশ থেকে মানুষ যখন অন্যান্য দেশে ঘুরতে যায় তারা ডলার বা বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে যাচ্ছে। এটা খুবই স্বাভাবিক। একটা দেশে শুধু পর্যটক আসবে কিন্তু সেদেশ থেকে অন্য দেশে পর্যটক যাবে না এমনতো হয় না।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আব্দুস সবুর বলেন, আমাদের এখানের ডাক্তাররা এতো ব্যস্ত তারা রোগীদের সাথে সময় নিয়ে কথা বলে না। এখনও কেউ সুযোগ পেলেই চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর,ব্যাংকক চলে যাচ্ছে। আর এটার কারণ কিন্তু শুধু চিকিৎসা না, তাদের ওপর আস্থা, সামাজিক স্ট্যাটাস। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতিরিক্ত চিকিৎসা ব্যয়, চিকিৎসকদের আন্তরিকতার অভাব, রাজনৈতিক নেতাদের বাইরে চিকিৎসা নেয়ার প্রবণতাসহ নানা কারণে বিদেশে চিকিৎসা নেয়ার প্রবণতা বাড়ছে।

অর্থনীতিবিদ ড. বজলুল হক খন্দকার বলেন, বাইরের দেশে ভ্রমনে যা খরচ হচ্ছে তার মানে এগুলো আমাদের দেশের অর্থনীতিতে কোন কিছু যোগ হচ্ছে না। এই জায়গাটাতে আমাদের জোর দেয়া লাগবে। আমাদেরকে আরও নতুন নতুন ট্যুরিজম প্রোডাক্ট তৈরি করতে হবে। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি খাত এক সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে বলেও মনে করেন তিনি। আর্থিক খাতের বিশ্লেষকরা বলছেন, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন করে বিপুল এই অর্থ দেশেই রাখা সম্ভব। একই সাথে দেশের পর্যটন খাতে আরো অনেক উন্নয়নের সুযোগ আছে।  

মেয়েরা কিভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করে | কৌণিক বার্তা

মেয়েরা কিভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করে | কৌণিক বার্তা

মেয়েরা কিভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করে | কৌণিক বার্তা

প্রেমে পড়েছেন? কিন্তু আগ বাড়িয়ে সুন্দরী মেয়েটিকে প্রস্তাব দিতে সাহস পাচ্ছেন না?মেয়েটিও কি আপনার প্রেমে পড়েছে? নাকি সবটাই একতরফা? এমন অবস্থায় কী করবেন, কী করা উচিত? আসলে মেয়েরা ভালোবাসার কথা কখনও মুখে বলে না। 

তবে ভালোবাসার আগে মেয়েরা তার পছন্দের মানুষটিকে অনন্ত ৫ টি ইঙ্গিতের মাধ্যেমে বোঝানোর চেষ্ট করে যে, সেও আপনাকে ভালবাসে। ভালোবাসার আগে মেয়েরা তার পছন্দের মানুষটিকে অনন্ত ৫ টি ইঙ্গিতের মাধ্যেমে বোঝানোর চেষ্ট করে যে, সেও আপনাকে ভালবাসে।

☞ সাঁজগোজ: ঠিক করেছেন কলেজ-শেষে একসঙ্গে দু’জনে কফি খেতে যাবেন। মেয়েটিও রাজি। দেখলেন বেশ সেজেগুজে এসেছে। একবার নয়, আপনার সঙ্গে কোথাও যাওয়ার কথা হলেই, মেয়েটি খুব সচেতনভাবেই সাজগোজ করে আসে। নিরিবিলিতে থাকলে দেখবেন, মেয়েটি একটু ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছে। আপনার সঙ্গে কথা বলার সময় চুল নিয়ে খেলে যাচ্ছে আনমনে। চোখের দিকে তাকালে বুঝবেন, তার শরীরী ভাষাই বলে দিচ্ছে, কী চায় আর কী চায় না। নির্ভাবনায় তাকে বলতে পারেন।

☞ চোখে চোখ রেখে কথা বলা: এটা ঘটনা, আপনাকে যদি অপছন্দ হয়, কোনও মেয়েই আপনার সঙ্গে ঘুরতে যেতে রাজি হবে না। যদি, দেখেন মেয়েটি আপনার কথা মন দিয়ে শুনছে, পলক পড়ছে না, একদৃষ্টে আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে, বুঝবেন তার মনে আপনার জন্য একটা জায়গা রয়েছে। এছাড়া যদি দেখেন, মেয়েটি আপনাকে বারবার বলছে, কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য, বুঝবেন, স্বস্তি বোধ না-করলে কখনই এ কথা বলত না।

☞ প্রেমের পরশ যখন কোনও অছিলায় বা ছুঁতোনাতায় মেয়েটি আপনাকে স্পর্শ করবে, বুঝবেন তলে তলে জল অনেক দূর গড়িয়েছে।

☞ রেগে আগুন: মেয়েটির সামনে ভুলেও যদি অন্য মেয়ের প্রশংসা করেছেন বা কিঞ্চিত আগ্রহ দেখিয়েছেন, দেখবেন হাসিখুশি মুখটা কেমন বর্ষার মেঘের মতো কালো হয়ে যায়। রাগের মাথায়, যা নয় তাই শুনিয়ে দেবে। তাহলে নিশ্চিত থাকুন, মেয়েটি আপনাকে ভালোবাসে ফেলেছে।

☞ ‘আমায় একটু বাড়ি অবধি পৌঁছে দেবে?’ যদি কখনও এমন প্রস্তাব পান, ষোলআনার ওপর আঠারোআনা নিশ্চিত থাকুন মেয়েটিও আপনাকে ভালোবাসে।