সে কহে বিস্তর মিছা , যে কহে বিস্তর ভাবসম্প্রসারণ পিডিএফ ডাউনলোড

ভাব সম্প্রসারণ কি ? ভাবসম্প্রসারণ কাকে বলে?

আমাদের দেশের কবি-সাহিত্যিকদের লেখায় কখোনো কোনো একটি বাক্যে বা কবিতার এক বা একাধিক চরণে গভীর কোনো ভাব নিহিত থাকে। সেই ভাবকে বিস্তারিতভাবে লেখা, বিশ্লেষণ করাকে ভাবসম্প্রসারণ বলে।
ভাবসম্প্রসারণ
ভাবসম্প্রসারণ

সে কহে বিস্তর মিছা, যে কহে বিস্তর ভাবসম্প্রসারণ লেখার নিয়ম বা ভাবসম্প্রসারণ করার ক্ষেত্রে যেসব দিক বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবেঃ

১। উদ্ধৃত অংশটুুকু মনোযোগসহ পড়তে হবে।

২৷ অন্তর্নিহিত ভাবটি বোঝার চেষ্টা করতে হবে।

৩। অন্তর্নিহিত ভাবটি কোনো উপমা-রূপকের আশ্রয়ে নিহিত আছে কি না, তা চিন্তা করতে হবে।

৪। সহজ-সরলভাবে মূল ভাবকে ফুটিয়ে তুলতে হবে।

৫। মূল বক্তব্যকে প্রকাশরূপ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনে যুক্তি উপস্থাপন করতে হবে।

৬। বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

সে কহে বিস্তর মিছা, যে কহে বিস্তর এই ভাবসম্প্রসারণ লিখার নিয়ম উপর থেকে জেনেছি৷ আমরা শিখতে পারবো সে কহে বিস্তর মিছা, যে কহে বিস্তর ভাবসম্প্রসারেণ কি ভাবে লিখতে পরবো। ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণী এবং SSC HSC JSC PSC বাংলা ২য় পত্রের ভাবসম্প্রসারণ।

মূলভাব:

অতিকথন বা বাচালতা ভালো নয়। বাচালতা করতে গেলে মিথ্যাচার করতে হয়।

সম্প্রসারিত ভাব:

আমরা সমাজজীবনকে সচল রাখতে , মনের কথা প্রকাশ করতে পরস্পর কথা বলি। তবে একথা , শুধু কথাই নয় , ব্যক্তিত্বের মাপকাঠিও বটে। কথা হওয়া উচিত সংযত , পরিশীলিত ও যুক্তিনির্ভর। এ ধরনের সুন্দর কথা দিয়ে কিন্তু মুখে খই ফোটানো যায় না। কারণ সুন্দর ও মূল্যবান জিনিসের মতোই সুন্দর কথা কম হয়ে থাকে। যখনই কথার ফুলঝুরি ছুটতে থাকে তখনই কথায় ভেজাল মিশতে থাকে। সত্য ও মিথ্যায় মিশেল ঘটতে থাকে। সমাজে এ ধরনের বাকপটু মানুষের খুব একটা অভাব নেই। এরা কথায় বিশ্ব জয় করে কিন্তু বাস্তব শক্তি এদের খুবই নগণ্য। আর যারা জ্ঞানী , দায়িত্বশীল তারা কথা বলে হিসাব করে। এদের কথার ফোয়ারা সহজে ছোটে না। কারণ এরা মিথ্যাচারে অভ্যস্ত নয়। সত্য কথা কমই হয়। তাই যখনই আমরা কারো মুখে মাত্রাতিরিক্ত কথা শুনি তখন তার কথায় সত্যের অংশ কতখানি আছে তা নিয়ে হিসাব কষতে শুরু করি। কারণ সমাজে বসবাস করতে গিয়ে আমরা অন্তত এটুকু বুঝি-বেশি কথা বলতে গেলে মিথ্যা কথাই বলতে হয়। তাই আমাদের উচিত কথা বলায় সংযত হওয়া। অতিকথন ব্যক্তিত্বের দুর্বলতাকে প্রকট করে তোলে। কথার গ্রহণযোগ্যতাকেও খাটো করে। তাই অতিকথন পরিত্যাগ করতে হবে।

মন্তব্য:

মানুষ কথা বলে মনের ভাব প্রকাশ করে। কিন্তু কথায় বাচালতা না থাকাই সমীচীন।


বিঃদ্রঃ বাংলাদেশর সকল শিক্ষা বিষয়ের খবর এবং বাংলা ২য় ও ইংরেজি ২য় এবং সকল বিষয়ের তথ্য জানতে চোখ রাখুন  কৌণিক বার্তা ফেসবুক পেজে নিচে লিংক দেওয়া হলোঃ-


ভাবসস্প্রসারণের সম্পূর্ণ তালিকা
আপনি পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করতে পারবেন 180 সেকেন্ড পর



Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url